• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে রামগতিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ নারী-শিশুসহ আহত ২০, অগ্নিসংযোগে পুড়েছে বসতঘর লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার, আটক ৩ রামগতিতে সেনা ক্যাম্প ও অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জেএসডির, অভিযোগকে মিথ্যা বলছে বিএনপি আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ: লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী ড. রেজাউল করিমকে নির্বাচন কমিশনের কঠোর সতর্কবার্তা চন্ডিপুর ইউনিয়নে হাতপাখার প্রার্থী জাকির পাটওয়ারী’র নির্বাচনী প্রচারণা লক্ষ্মীপুর-৪ চরাঞ্চলে নির্বাচনকালীন সেনা ক্যাম্প স্থাপন ও অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জেএসডির নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে উদ্বেগ: চার আসনে ২১৮ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, মাঠে তিন হাজার নিরাপত্তা সদস্য চন্দ্রগঞ্জে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান ৯ মামলার পলাতক আসামি দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ভোলা, পটুয়াখালী’র সীমান্তে অবস্থিত চর-হায়দা ও চর-আজমাইনে’র বন উজার রামগঞ্জে প্রভাবশালীর দখলে সরকারি খাল, চোখের সামনে গড়ে উঠল অবৈধ সেতু

অভিজ্ঞতার হাত ধরে লক্ষ্মীপুরে বিকশিত ট্রলার নির্মাণ শিল্প, বছরে বিনিয়োগ ২০০ কোটি টাকা

Reporter Name / ৩৩ Time View
Update : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬

মাহমুদুর রহমান মনজু :

কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা আধুনিক ডকইয়ার্ড ছাড়াই দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে লক্ষ্মীপুরে গড়ে উঠেছে সম্ভাবনাময় ট্রলার নির্মাণ শিল্প। উপকূলীয় এই জেলায় বর্তমানে বছরে প্রায় ৪০০টি সমুদ্রগামী ফিশিং ট্রলার ও নৌকা তৈরি হচ্ছে। এতে বার্ষিক বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা।


একসময় সমুদ্রগামী বড় ফিশিং ট্রলারের জন্য বিদেশ নির্ভরতা থাকলেও এখন স্থানীয় কারিগরদের নিপুণ ছোঁয়ায় লক্ষ্মীপুরেই তৈরি হচ্ছে এসব জলযান। এর ফলে একদিকে যেমন বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে, অন্যদিকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।


রামগতি উপজেলার টাংকি বাজার, চরগাজী, আসলপাড়া, আলেকজান্ডার মাছঘাট, কমলনগরের মতিরহাট ও ভাঙ্গাপুল, সদর উপজেলার মজুচৌধুরীরহাট ও বেঁড়ির মাথা এবং রায়পুর উপজেলার চরবংশী ও হাজীমারাসহ জেলার অন্তত ১৩টি স্থানে ট্রলার ও নৌকা নির্মাণ করছেন কারিগররা। বংশ পরম্পরায় পাওয়া অভিজ্ঞতায় কাঠ ও লোহার সমন্বয়ে নিখুঁতভাবে এসব ট্রলার তৈরি করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, একটি বড় সমুদ্রগামী ফিশিং ট্রলার তৈরিতে আকারভেদে কয়েক লাখ থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়। প্রতিটি ট্রলার তৈরিতে একাধিক কারিগর ও শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। দক্ষ কারিগররা দৈনিক ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং সহকারী শ্রমিকরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা মজুরি পান।
লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন জানান, জেলায় বর্তমানে মেঘনা নদীতে চলাচলের জন্য প্রায় ৩ হাজার অনুমোদিত ফিশিং ট্রলার রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত লক্ষ্মীপুরে কোনো সরকারি বা বেসরকারি অনুমোদিত আধুনিক ডকইয়ার্ড গড়ে ওঠেনি। তিনি বলেন, “মূলত স্থানীয় উদ্যোক্তা ও কারিগরদের উদ্যোগেই এই শিল্প টিকে আছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, আধুনিক ডকইয়ার্ড এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে ট্রলার নির্মাণ শিল্প আরও বিস্তৃত হবে।”
তিনি আরও বলেন, এই শিল্পকে পরিকল্পিতভাবে বিকশিত করা গেলে শুধু জেলেদের জীবনমান উন্নয়নই নয়, বরং লক্ষ্মীপুর জেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখবে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট কারিগর ও উদ্যোক্তারা মনে করছেন, সরকারি সহায়তায় আধুনিক প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে এ সম্ভাবনাময় শিল্প থেকে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশীয় ট্রলার নির্মাণ শিল্প আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd