• বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
রায়পুরে রিকশাচালকের ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু মাদ্রাসায় শিশুকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ: গ্রেপ্তার না হওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ মা লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অনিরাপদ খাদ্যবিরোধী যৌথ অভিযান, ৩ রেস্টুরেন্টকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা রায়পুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাই: চারজন গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভাবনা: নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার দৃঢ় অবস্থান—সমর্থকদের দাবি রায়পুরে নদীর পাড়ে অনাহারে দিন কাটছে বৃদ্ধা ছালেহার রামগঞ্জে পাউবোর জায়গা দখল করে বাসভবন নির্মাণ লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরে এক সপ্তাহে তিন ঘরে ডাকাতি, আতঙ্কে এলাকাবাসী আল্লামা লুৎফর রহমান: একটি নাম-একটি ইতিহাস

পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে রামগতিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ নারী-শিশুসহ আহত ২০, অগ্নিসংযোগে পুড়েছে বসতঘর

Reporter Name / ৮০ Time View
Update : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মাহমুদুর রহমান মনজু :

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় যৌথ পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে উভয় পক্ষের ৯ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার চররমিজ ইউনিয়নের চররমিজ গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের একটি অংশ রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে নারী-পুরুষের পাশাপাশি কয়েকজন শিশুও রয়েছে, যাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চররমিজ গ্রামের কাদির বক্স দালাল বাড়ির মোতালেব ও কাজল মিয়ার পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন বাড়ির একটি যৌথ পুকুর থেকে মাছ ধরা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা উত্তেজনায় রূপ নেয় এবং পরে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন। এ সময় দুইটি বসতঘর, দুইটি রান্নাঘর ও একটি গোয়ালঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামনাশিশ মজুমদার জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। আমি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd