• বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
রায়পুরে রিকশাচালকের ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু মাদ্রাসায় শিশুকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ: গ্রেপ্তার না হওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ মা লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অনিরাপদ খাদ্যবিরোধী যৌথ অভিযান, ৩ রেস্টুরেন্টকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা রায়পুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাই: চারজন গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভাবনা: নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার দৃঢ় অবস্থান—সমর্থকদের দাবি রায়পুরে নদীর পাড়ে অনাহারে দিন কাটছে বৃদ্ধা ছালেহার রামগঞ্জে পাউবোর জায়গা দখল করে বাসভবন নির্মাণ লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরে এক সপ্তাহে তিন ঘরে ডাকাতি, আতঙ্কে এলাকাবাসী আল্লামা লুৎফর রহমান: একটি নাম-একটি ইতিহাস

রায়পুরে নদীর পাড়ে অনাহারে দিন কাটছে বৃদ্ধা ছালেহার

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

মো: জহির হোসেন :

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে নদীর পাড় মসজিদের কাছেই ডাকাতিয়া নদী কোল ঘেঁষে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছর বয়সী ছালেহা বেগম। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তার একমাত্র চাওয়া—মাথা গোঁজার মতো একটি নিরাপদ ঘর। প্রায় দুই দশক আগে স্বামীকে হারান ছালেহা। কোনো সন্তান না থাকায় স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই শুরু হয় তার নিঃসঙ্গ লড়াই। নেই নিজের জমি, নেই কোনো স্থায়ী আশ্রয়। স্থানীয় রুবেল নামের এক সহৃদয় ব্যক্তির দেওয়া একটি পরিত্যক্ত, জরাজীর্ণ ঘরের কোণেই তার বসবাস। ভাঙা টিনের চাল, সুপারি পাতার বেড়া আর মাটির মেঝে—এই সামান্য আশ্রয়ই এখন তার সব। সেই এক চিলতে ঘরেই রান্না, খাওয়া আর ঘুম। শীতের কনকনে ঠান্ডা, গ্রীষ্মের দাবদাহ কিংবা বর্ষার ঝড়বৃষ্টি—সবই সহ্য করতে হয় তাকে। গত বছরের জলোচ্ছ্বাসে নদীর পানি ঘরে ঢুকে পড়লে সারারাত পানির মধ্যে বসে কাটাতে হয়েছিল। সেই পানিতে ভিজে তার পায়ে ঘা হয়, যা এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেনি।

মিডিয়া নিউজের প্রতিবেদকের ডাক শুনে সুপারি পাতার বেড়া সরিয়ে ধীরে ধীরে বাইরে আসেন ছালেহা। ক্লান্ত চোখে তাকিয়ে বলেন, বাবা, আমার তো আর কেউ নাই। একটা ঘর পাইলে বাকি জীবনটা শান্তিতে কাটাইতে পারতাম। এখন রাত হলেই ভয় লাগে—কখন ঘরটা পড়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃদ্ধা ছালেহা চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। অনেক সময় দুবেলা খাবারও জোটে না। প্রতিবেশীরা কখনো খাবার দিলে তবেই তার চুলায় আগুন জ্বলে। তারা বলেন, সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি তার জন্য একটি ছোট ঘরের ব্যবস্থা হতো, তাহলে অন্তত জীবনের শেষ সময়টা নিরাপদে কাটাতে পারতেন।
এলাকাবাসীর মতে, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে এলে ছালেহার মতো একজন অসহায় বৃদ্ধার মুখে হাসি ফোটানো কঠিন কিছু নয়। একটি ছোট ঘরই তার স্বপ্ন, একটি নিরাপদ আশ্রয়ই তার শেষ আশা।
নদীর পাড়ে ভাঙাচোরা সেই ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে ছালেহার কণ্ঠে শোনা যায় দীর্ঘশ্বাস মেশানো আর্তনাদ, আমার আর বেশি কিছু লাগে না বাবা, একটা ঘর হলেই হইবো।

মানবিক সমাজ গঠনে এমন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। ছালেহার মতো আরও অনেক অদেখা মানুষের জীবনে একটু আলো পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছে। সালেহাকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
মিল্লাত 01886968899
বিকাশ 01837941111


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd