ফিরোজ আলম পরশ,
রামগতি (লক্ষীপুর)প্রতিনিধি:
১লা জুলাই ২০২৫ থেকে সরকার ঘোষিত নতুন কাঠামো অনুযায়ী সকল সরকারি কর্মচারীর বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, যারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হয়ে ও সরকারি রুল অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান পরিচালিত সকল নিয়ম কানুন সরকার নির্দশিত;নিয়মানুযায়ী চলছে।
অথচ,বেতন – ভাতার দিক থেকে বেষম্যনীতি পালন করা হচ্ছে, ,সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা অনুযায়ী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোর বেতন ভাতা খুবই নুন্যতম, যাহা বর্তমান দূর্মুল্যের বাজারে,এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জীবন দূর্বিসহ,।
যাহা নুন আনতে পান্ত পুরায়,সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা / কর্মচারীরা চাকুরি হারানোর ভয়ে কোন প্রকারের কর্মচারী সংঘঠন করতে পারে না,না পারে কোন প্রকারের আন্দোলন করতে,।
কিন্তু সরকার যখন সরকারি চাকুরী জীবিদের বেতন ভাতা বৃদ্ধি করে তখন হু হু করে বাজারের দ্রব্য মূল্যের উদ্বগতি হয়,তখন সরকারি কর্মকর্তা / কর্মচারীরা যে মূল্যে জিনিস কিনতে হয়।
বেসরকারি করমচারিরাও ঠিক সেই মূল্যে কিনতে গেলে হিম শিম খেতে হয়,তাহলে দেশে জুলাই অভ্যুথান হয়েছ একমাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে, তবে কেন এখনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন -ভাতার ব্যাপারে বৈষম্য নীতি অব্যহত থাকবে।
তাই এ ব্যাপারে বাংলাদেশ এর অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রতি বাংলাদেশের সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবি অচিরেই তাদের এই আত্মগাতি মূলক বৈষম্য নীতি দূর করে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা সমমর্যাদায় বৃদ্ধি করা হোক।
বিশেষ করে মিল কারখানা ও অর্থলগ্নী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সব সময় সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বন্ছিত থাকে,আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ব্যাংক গুলো কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তোষ জনক বেতন ভাতা প্রদান করলেও বীমা প্রতিষ্ঠান গুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যুগোপযোগী বেতন ভাতা প্রদান করছেনা।
তাই এসব প্রতিষ্ঠান গুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা না পারপ কইতে না পারপ সইতে,এক একটা প্রতিষ্ঠান এ জীবন যৌবন অতিবাহিত করে,ছেলে মেয়েদের বরন পোষণ ও উন্নত শিক্ষা, উন্নত চিকিৎসা না দিতে পেরে অনেকে সংশার চালাতে হিমশিম খেতে হয়,
জীবনজীবিকার ব্যাপারে দূরচিন্তা করে,শেষে বিভিন্ন রোগশোকে পতিত হয়ে অকালে মৃত্যু বরন করতে হয়,তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এর প্রতি অনুরোধ যেন এ ব্যাপারে আশু সদয় দৃষ্টি ক্ষেপন করেন।
আর কর্তৃপক্ষ যেন সরকারি বেতন কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে বর্তমান মূল্যস্ফীতি, বাজারদর ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় করে বেসরকারি কর্মকর্ত / কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পুনর্বিবেচনা করে একটি দৃষ্টান্ত মূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।