• রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে রামগতিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ নারী-শিশুসহ আহত ২০, অগ্নিসংযোগে পুড়েছে বসতঘর লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার, আটক ৩ রামগতিতে সেনা ক্যাম্প ও অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জেএসডির, অভিযোগকে মিথ্যা বলছে বিএনপি আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ: লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী ড. রেজাউল করিমকে নির্বাচন কমিশনের কঠোর সতর্কবার্তা চন্ডিপুর ইউনিয়নে হাতপাখার প্রার্থী জাকির পাটওয়ারী’র নির্বাচনী প্রচারণা লক্ষ্মীপুর-৪ চরাঞ্চলে নির্বাচনকালীন সেনা ক্যাম্প স্থাপন ও অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জেএসডির নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে উদ্বেগ: চার আসনে ২১৮ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, মাঠে তিন হাজার নিরাপত্তা সদস্য চন্দ্রগঞ্জে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান ৯ মামলার পলাতক আসামি দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ভোলা, পটুয়াখালী’র সীমান্তে অবস্থিত চর-হায়দা ও চর-আজমাইনে’র বন উজার রামগঞ্জে প্রভাবশালীর দখলে সরকারি খাল, চোখের সামনে গড়ে উঠল অবৈধ সেতু

১০নভেম্বর শহীদ “নূর হোসেন দিবসে” বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর শ্রদ্ধা নিবেদন

Reporter Name / ১৭৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৩

মোঃ সাবিউদ্দিন: ১০নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ “নূর হোসেন দিবসে” বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু ভাই ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক জননেতা এ কে এম আফজালুর রহমান বাবু ভাইয়ের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন। এসময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির অনান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন।

উল্লেখ থাকে যে, ১৯৮৭ সালের এদিনে তৎকালীন স্বৈরশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সরকার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর জিরো পয়েন্ট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন নূর হোসেন।
মৃত্যুর পর নূর হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজধানীর জিরো পয়েন্ট এলাকার নামকরণ করা হয় শহীদ নূর হোসেন স্কয়ার এবং ১০ নভেম্বরকে শহীদ নূর হোসেন দিবস ঘোষণা করা হয়।
নূর হোসেন ১৯৬১ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
জীবিকার সন্ধানে তার পরিবার ঢাকায় এসেছিল। নূর হোসেনের পরিবার থাকত রাজধানীর পুরনো ঢাকার বনগ্রামে।

নূর হোসেনের বাবা মজিবুর রহমান পেশায় ছিলেন একজন বেবিট্যাক্সি চালক। মা মরিয়ম বেগম গৃহিণী। নূর হোসেন নিজেও ছিলেন একজন পরিবহন শ্রমিক।
গায়ের শার্ট কোমড়ে বাঁধা, পরনে জিন্সপ্যান্ট, পায়ে কেডস, খালি গায়ে বুকে পিঠে লেখা ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’। নূর হোসেনের পুরো শরীরটাই যেন প্রতিবাদি পোস্টার। নূর হোসেনের এ প্রতিবাদ সহ্য করতে পারেনি স্বৈরাচার সরকার। নির্মম বুলেট ছুটে আসে প্রতিবাদি যুবক নূর হোসেনের দিকে।
গুলিবিদ্ধ নূর হোসেনকে যখন একটি রিকশায় করে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন এক যুবক। গুলিবিদ্ধ নূর হোসেনকে রিকশা থেকে নামিয়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে নেয়া হয়। নূর হোসেন যখন মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন তখনও একজন পুলিশ সদস্য পায়ের বুট তার বুকের উপর চেপে ধরে। এমন নিষ্ঠুরভাবে সেদিন নূর হোসেনকে হত্যা করে।
নূর হোসেনের বুকে ও পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ লেখা স্লোগান আজও সবাইকে স্বৈরশাসনসহ সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তি ও অনুপ্রেরণা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd