• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
লক্ষ্মীপুরে ভোটকেন্দ্র সংস্কারের কাজ কাগজে-কলমে, বাস্তবে নেই যারা মুখে ইনসাফের কথা বলেন প্রকৃতপক্ষে তারা ইনসাফের রাজনীতি করে নাই, মানুষকে জিম্মি করে গুপ্ত রাজনীতি করেছে : পানিসম্পদ মন্ত্রী রায়পুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান, ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা লক্ষ্মীপুরের রাধাপুরে পুলিশের মধ্যরাতের অভিযান: বিদেশি রিভলবার ও ৪৬ রাউন্ড গুলিসহ যুবক আটক রায়পুরে হায়দারগঞ্জ মডেল স্কুলে কবিতা পাঠ ও পুরস্কার বিতরণ দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: সম্ভাবনা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভোটারদের প্রত্যাশা রামগঞ্জে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদার দাবি   প্রবাসীর  ভবন নির্মাণ কাজে বাধা,  কোর্টে মামলা    কমলনগরে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির ইফতার আয়োজন রামগঞ্জে পাউবোর জায়গা দখল করে বাসভবন নির্মাণ রায়পুরে উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে রমজান উপলক্ষে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

৮ প্রহর ব্যাপী অখন্ড, শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান

Reporter Name / ৫৮১ Time View
Update : শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার(ফুলবাড়িয়া): টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা থেকে ২৬ কিলোমিটার পুর্বে ধলাপাড়া ইউনিয়নে ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় রাধা কৃষ্ণের ভক্তদের পুণ্যস্থান “গুপ্ত বৃন্দাবন” (Gupta Brindaban) নামক গ্রাম অবস্থিত।

এখানে প্রতিবছর চৈত্র মাসের ১২ তারিখ প্রায় ৭০০ বছরের পুরনো একটি কালো তমাল গাছকে কেন্দ্র করে জমজমাট বারুনি মেলার আয়োজন করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছাড়াও এই উৎসবে আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে সকল ধর্মের দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে।

গুপ্ত বৃন্দাবন গ্রামের নামকরণ এবং তমাল গাছটিকে ঘিরে নানান কল্পকথা প্রচলিত আছে। এলাকার স্থানীয় হিন্দু, আদিবাসি ও বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের লোকেরা বিশ্বাস করেন, মধুরায় শ্রীকৃষ্ণের উপর কংশ রাজার অত্যাধিক অত্যাচারের কারনে রাধা এবং ১৫০০ জন গোপিনীকে নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ পালিয়ে আসেন। এই ঘটনার কারণে স্থানটি গুপ্ত বৃন্দাবন নামে পরিচয় লাভ করে।

তবে ইতিহাস হতে পাওয়া তথ্য মতে, এই জায়গার পূর্ব নাম বৃন্দাবন। গুপ্ত বংশীয় বিভিন্ন নিদর্শন এই স্থান হতে প্রাপ্তির ফলে বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ১৫৭৭ সালে জায়গাটির নাম দেন গুপ্ত বৃন্দাবন।

আর রাধা কৃষ্ণের ভক্তরা বিশ্বাস করে, গুপ্তবৃন্দাবনের তমাল গাছের ডালে রাধা কৃষ্ণ দোল খেতেন ও অভিসারে মিলিত হতেন।

তমাল গাছের উত্তর পাশে একটি রাধাগোবিন্দ মন্দির রয়েছে। এছাড়া এখানে আরো আছে বিভিন্ন প্রাচীন মূর্তি ও মন্দির। প্রতিবছর বাংলা সনের চৈত্র মাসে এখানে বাৎসরিক মেলা ও কীর্তনযজ্ঞের আয়োজন করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, প্রাকৃতিক পরিবেশের আবহ থাকায় আগে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম লীলার স্মৃতি কল্পনা করা যেত। ঐতিহাসিক এই তমাল গাছ রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি এখানকার সেই প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি তাদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd