মাহমুদুর রহমান মনজু :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-৩ সংসদীয় আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. রেজাউল করিমকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচনি প্রচারণা চালানো, ভোটারের কাছে নগদ অর্থ বিতরণ এবং ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব (আইন-১) মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে ড. রেজাউল করিমকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৯ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাডেমি রোড এলাকায় মাহফুজা খাতুন (৮৫) নামের এক ভোটারের কাছে নগদ অর্থ বিতরণ ও ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন ড. রেজাউল করিম। এ ঘটনায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়ক মো. ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি সংশ্লিষ্ট ‘ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটি’-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে গত ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ড. রেজাউল করিমের কর্মকাণ্ড ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ৪(১) ও ১৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
সতর্কবার্তায় নির্বাচন কমিশন জানায়, ভবিষ্যতে পুনরায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ৯১ক (৬গ) ধারায় প্রার্থীর বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, এমনকি তাঁর প্রার্থিতা বাতিলও করা হতে পারে।