ফিরোজ আলম পরশ:
জনদূর্ভোগের আরেক নাম মেঘনা সড়ক,এ আধুনিক ও উন্নয়ন এর যুগে এ সড়কটি বিরল দৃষ্টান্ত, যাহা লক্ষীপুর পৌরসভার জনবসতি পূর্ণ এলাকার মানুষের ভোগান্তির একমাত্র কারন।
লক্ষীপুর পৌরসভার সাবেক ২ নং ওয়ার্ড ও ৩ নং ওয়ার্ড বর্তমান ১৪ ও ১৫ নং ওয়ার্ড বিস্তৃত মেঘনা রোডটি অবস্থিত, যাহা অতি প্রাচীন ও পুরাতন সড়ক এটি লক্ষীপুরের বাগবাড়ি থেকে শুরু হয়ে ঢাকা রায়পুর এর মেইন সড়ক দালাল বাজার এর বটগাছ তলা নামক স্থানে পৌছেছে।

যাহার অদূরে রয়েছে, দালাল বাজার পুরাতন জমিদারদের মঠবাড়ি ও নব নির্মিত এসব এলাকা মানুষের প্রানের বিনোদন কেন্দ্র দালাল বাজার খোয়া সাগর দীঘি,ও লক্ষীপুরের অতি প্রাচীনতম জমিদার বাড়ি।
লক্ষীপুরের বাগবাড়ি থেকে রওয়ানা করলে প্রথমে ডানদিকে পড়ে কালিবাজার, পালের হাটের রাস্তা, একটু সামনে গেলে রাস্তার কোল গেষে অবস্থিত রয়েছে লক্ষীপুর জেলা পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজ,আরেকটু সামনে গেলে হাতের ডানপাশে পৌর আজিম শাহ উচ্চ বিদ্যালয়,ও মহিলা দাখিল মাদ্রাসা।
রাস্তার কোল ঘেষে হাতের বামপাশে রয়েছে,তাগারি শাহ হুজুরের মাজার ও তাগারি শাহ জামে মসজিদ, কিছুদূর সামনে গেলে লক্ষীপুর জেলা আইন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, পাশাপাশি রয়েছে পৌর আইডিয়াল কলেজ,পাশে রয়েছে মরহুম তাজুল ইসলাম সরকারিপ্রাথমিক বিদ্যালয়।
আরেকটু সামনে গেলে রয়েছে নুরজাহান হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ, আরেকটু সামনে গেলে রাস্তার কোল ঘেষে রয়েয়ে প্রায় ৫০০ বছরের ঔতিহ্যবাহী অভিউল্লা ভূইয়া জামে মসজিদ,কিছু দূর সামনে গেলে বর্নার্ত্ব ও দূর্যোগকালীন পানি নিষ্কাসন এর জন্য নির্ভরযৌগ্য বেড়ির বাঁধ।
পাশে রয়েছে ওয়াপদার মেঘনা খাল,তার একটু সামনে গেলে সাহেববাড়ি সম্মূখ ডানদিকে বয়ে গেছে নন্দনপুর ও গোপিনাথপুরের সড়ক যাহা নব ঘোষিতপৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ড সামনে গেলে হাতের বাঁমপাশে রয়েছে পশ্চিম বাঞ্ছানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।তার একটু সামনে গেলে হাতের বামপাশে অবস্থিত,বাংলাদেশ আনসার ও ভি,ডি,পি,র জেলা কমান্ডেন্টের কার্যালয়।
এসব এলাকায় বসবাসরত প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ এটি হলে ও বিগত সরকার গুলোর আমলে এ রাস্তাটি সংস্কার কিংবা পূন নির্মানের ব্যাপারে কোন প্রকারের উদ্যেগ চোখে পড়ে নি যাহা অতীব হতাশা ব্যান্জক,এ এলাকাকার প্রায় দশ হাজারের ও বেশি ছেলে মেয়ে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ,মাদরাসায় পড়াশোনার জন্য গমন করে,পথিমধ্যে অটোরিকশা, সি,এন জি,মোটরসাইকেল উল্টে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে দূর্ঘটনার শিকার হয়।
লক্ষীপুরের জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারী প্রতিষ্ঠান থাকা সর্ত্বেও কেন এসব এলাকার মানুষ দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাহা কাহারো বোধগম্য নহে।
তাই বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এর প্রতি এই অবহেলিত ও উপেক্ষিত উপেক্ষিত জনগনের প্রানের দাবি এই মেঘনা সড়কটি কাল বিলম্ব না করে আশু মেরামত করা হোক এটাই কামনা করেন।