• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
রায়পুরে রিকশাচালকের ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু মাদ্রাসায় শিশুকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ: গ্রেপ্তার না হওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ মা লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অনিরাপদ খাদ্যবিরোধী যৌথ অভিযান, ৩ রেস্টুরেন্টকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা রায়পুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাই: চারজন গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভাবনা: নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার দৃঢ় অবস্থান—সমর্থকদের দাবি রায়পুরে নদীর পাড়ে অনাহারে দিন কাটছে বৃদ্ধা ছালেহার রামগঞ্জে পাউবোর জায়গা দখল করে বাসভবন নির্মাণ লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরে এক সপ্তাহে তিন ঘরে ডাকাতি, আতঙ্কে এলাকাবাসী আল্লামা লুৎফর রহমান: একটি নাম-একটি ইতিহাস

সুবাস ছড়াচ্ছে আমের মুকুল, প্রাণ ফিরে পেয়েছে ফুলবাড়ীর প্রকৃতি

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মোঃ ইসমাইল হোসাইন, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বসন্তের আগমনে প্রকৃতিতে বইছে নতুন প্রাণের স্রোত। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে মাঠের ধারে, বাড়ির আঙিনায় এবং বাগানজুড়ে আমগাছে ফুটেছে সোনালি মুকুল। নীল আকাশের পটভূমিতে সবুজ পাতার ফাঁকে ঝলমলে হলুদ মুকুল যেন প্রকৃতিকে সাজিয়েছে অনিন্দ্য সৌন্দর্যে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে মিষ্টি সুবাস, যা জানান দিচ্ছে আর বেশি দেরি নেই, আসছে রসালো আমের মৌসুম।

স্থানীয় কৃষক ও বাগান মালিকরা জানান, গত কয়েক সপ্তাহের অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত রোদ এবং কুয়াশা কম থাকায় এ বছর আমগাছে মুকুলের পরিমাণ বেশ ভালো। নিয়মিত পরিচর্যা, ডালপালা ছাঁটাই এবং সময়মতো কীটনাশক প্রয়োগের ফলে গাছগুলোতে সুস্থ ও ঘন মুকুল এসেছে। এতে করে সম্ভাব্য ফলন নিয়েও আশাবাদী হয়ে উঠেছেন চাষিরা।
উপজেলার কয়েকজন অভিজ্ঞ আমচাষি বলেন,যদি অকাল ঝড়, শিলাবৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত বৃষ্টি না হয়, তাহলে এ বছর ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। তবে মুকুল ঝরে যাওয়া ও পোকামাকড়ের আক্রমণ নিয়ে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। তারা কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকি কামনা করেছেন, যাতে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়ানো যায়।
মুকুলে ভরা আমগাছ ঘিরে গ্রামীণ পরিবেশ এখন আরও প্রাণবন্ত। ভোরের সোনালি রোদে ঝলমল করা মুকুল, পাখির কূজন আর হালকা বাতাসে দুলতে থাকা ডালপালা সব মিলিয়ে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এবং স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তুলতে ভিড় করছেন বাগান ও বাড়ির আঙিনায়।
কৃষিনির্ভর এই জনপদের মানুষের কাছে আম শুধু একটি ফল নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। ভালো ফলন হলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ বাড়বে, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিকভাবে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকৃতির এই সোনালি সাজ যেমন চোখ জুড়ায়, তেমনি কৃষকদের মনে জাগায় নতুন স্বপ্ন। এখন সবার একটাই প্রত্যাশা আবহাওয়া অনুকূলে থাকুক, পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হোক, আর বাম্পার ফলনে ভরে উঠুক ফুলবাড়ীর আমবাগান ও স্থানীয় বাজার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd