• বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কমলনগরে তুচ্ছ ঘটনার জেরে চাচাতো ভাইকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, গ্রেপ্তার ১ লক্ষ্মীপুরের কুশাখালীতে গৃহকর্তাকে বেঁধে ৬০ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট, গ্রেপ্তার ৫ রামগঞ্জে সেচ খাল শুকিয়ে যাওয়ায় বোরো ধানের চারা সংকটে, ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকরা লক্ষ্মীপুরে জ্বালানি বাজার ও বাস কাউন্টারে প্রশাসনের কড়া নজর চট্টগ্রামে ইফতারের আগে স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় হাজির স্বামী,বাড়ি রামগঞ্জে  কমলনগরবাসীর ৩০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান: আলোর মুখ দেখছে স্বপ্নের মতিরহাট ফেরিঘাট মেঘনা নদী বাঁধের কোটি কোটি টাকার প্রকল্পে দুর্নীতি বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে : বাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী  কমলনগরে কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারী মো. তামজিদ নিষেধাজ্ঞার মাঝেই মেঘনায় মাছ শিকার কমলনগরের বিভিন্ন ঘাটে গোপনে বিক্রি, প্রশ্নের মুখে নজরদারি উত্তর হামছাদী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মনজুর রহমান ভূঁইয়া

রায়পুরে অপহরণের ১৮ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, অপহরণকারী কারাগারে

Reporter Name / ৩৮৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫

প্রদীপ কুমার রায়:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অপহরণের ১৮ দিন পর এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. শামীম ওসমান (২৮) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে তাকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃত শামীম রামগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাছিমপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী রায়পুর উপজেলার একটি স্থানীয় স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ২৮ মার্চ সকাল বেলায় স্কুলে যাওয়ার পথে শামীম ওসমান একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় এবং অজ্ঞাত স্থানে গোপনে রাখে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর নিখোঁজের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে ৩০ মার্চ রায়পুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর পুলিশ একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। পরিশেষে, প্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অপহরণকারীর অবস্থান চিহ্নিত করে কিশোরীকে উদ্ধার এবং শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পরই আমরা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করি। একাধিক অভিযান পরিচালনার পর ভুক্তভোগী কিশোরীকে নিরাপদে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জড়িত থাকলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কিশোরীর পরিবার ও স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd