• বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
দ্রাসায় শিশুকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ: গ্রেপ্তার না হওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ মা লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অনিরাপদ খাদ্যবিরোধী যৌথ অভিযান, ৩ রেস্টুরেন্টকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা রায়পুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছিনতাই: চারজন গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভাবনা: নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার দৃঢ় অবস্থান—সমর্থকদের দাবি রায়পুরে নদীর পাড়ে অনাহারে দিন কাটছে বৃদ্ধা ছালেহার রামগঞ্জে পাউবোর জায়গা দখল করে বাসভবন নির্মাণ লক্ষ্মীপুরের বশিকপুরে এক সপ্তাহে তিন ঘরে ডাকাতি, আতঙ্কে এলাকাবাসী আল্লামা লুৎফর রহমান: একটি নাম-একটি ইতিহাস ট্রাইব্যুনালে হুমায়ুন কবিরের জামিন নামঞ্জুর, স্বাস্থ্য প্রতিবেদন ৩০ মার্চের মধ্যে জমার নির্দেশ

রায়পুরে সড়কে গাছ, যান চলাচলে ভোগান্তি

Reporter Name / ৪৬৬ Time View
Update : শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫

প্রদীপ কুমার রায়:

দেশজুড়ে নিম্নচাপের প্রভাবে রায়পুরে ঝড়ো হাওয়া ও টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উপড়ে পড়া গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটির কারণে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। পাশাপাশি জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। রায়পুর-লক্ষ্মীপুর, রায়পুর-রামগঞ্জ, রায়পুর-হায়দরগঞ্জ ও রায়পুর-মীরগঞ্জসহ পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে আছে। এতে বুধবার রাত থেকে এসব সড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও অফিসগামী মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম জানান, সকালবেলা বের হয়ে দেখি রাস্তায় বড় গাছ পড়ে আছে। কোনো রিকশা, অটোরিকশা চলতে পারছে না। হাঁটতেই হচ্ছে অনেকটা পথ । রায়পুরের চরবংশী নাইয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোস্তফা বেপারি বলেন, আমার হায়দার গঞ্জে যেতে দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছে, যা সাধারণত ২০ মিনিটেই যাওয়া যায়। গাছ সরানো নিয়ে কারও যেন তাড়াহুড়ো নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ, গাছ উপড়ে পড়ার ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রায়পুর ফায়ার সার্ভিস ও পৌরসভার কর্মীরা সড়ক থেকে গাছ সরাতে কাজ শুরু করেন।

রায়পুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, বুধবার রাত থেকেই ঝড়ো হাওয়ায় একাধিক গাছ ভেঙে পড়ে। আমরা ভোর থেকে কাজ করছি। কিছু সড়ক এখনও বন্ধ আছে, তবে দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে।

টানা বৃষ্টিতে উপজেলার চরবংশী, চর আবাবিল, সোনাপুর ও কেরোয়া ইউনিয়নের নিচু এলাকাগুলো হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক বসতঘর, দোকান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে পড়েছে, ফলে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। চর আবাবিলের এক গৃহবধূ বলেন, ঘরে পানি উঠেছে, চুলা জ্বলছে না। ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি। কেউ দেখতেও আসছে না।

টানা তিন দিন ধরে উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ঝড়ে বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ছিঁড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের কাজও থমকে আছে।

পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জহির হোসেন বলেন, তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। মোবাইল চার্জ নেই, পানির মটর চলে না। রাতে মশার যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারি না।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরান খান জনকণ্ঠকে জানান, ঝড়ের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। গাছ অপসারণ, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd