• শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কমলনগরে এলজিইডির বিরুদ্বে কোটি টাকার বেশি লুট-পাটের অভিযোগ অবহেলায় প্রাণহানি: বাসের বক্সে শ্বাসরোধে ৪৭ ছাগলের মৃত্যু, লক্ষ্মীপুরে ক্ষোভ কমলনগরে তুচ্ছ ঘটনার জেরে চাচাতো ভাইকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, গ্রেপ্তার ১ লক্ষ্মীপুরের কুশাখালীতে গৃহকর্তাকে বেঁধে ৬০ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট, গ্রেপ্তার ৫ রামগঞ্জে সেচ খাল শুকিয়ে যাওয়ায় বোরো ধানের চারা সংকটে, ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকরা লক্ষ্মীপুরে জ্বালানি বাজার ও বাস কাউন্টারে প্রশাসনের কড়া নজর চট্টগ্রামে ইফতারের আগে স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় হাজির স্বামী,বাড়ি রামগঞ্জে  কমলনগরবাসীর ৩০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান: আলোর মুখ দেখছে স্বপ্নের মতিরহাট ফেরিঘাট মেঘনা নদী বাঁধের কোটি কোটি টাকার প্রকল্পে দুর্নীতি বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে : বাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী  কমলনগরে কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারী মো. তামজিদ

কমলনগরে এলজিইডির বিরুদ্বে কোটি টাকার বেশি লুট-পাটের অভিযোগ

Reporter Name / ৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

মোখলেছুর রহমান ধনু :

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায়, উপজেলা প্রকৌলী (এলজিইডির) আবদুল কাদের মুজাহিদ  উপজেলা পরিষদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উপজেলা রাজস্ব তহবিল, উপজেলা রাজস্ব উন্নয়ন তহবিল, এডিপি ও উপজেলা হাটবাজার উন্নয়ন তহবিল  অর্থ দ্বারা প্রায় ৩০ টি জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নয়  এমন প্রকল্প কে জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ কামরুল আহসান  ও মোঃ আলী ছিদ্দিক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে দিয়ে কোন স্টিমিট তৈরি এবং বিল স্বাক্ষর না করিয়ে আউটসোর্সিংএর উপ-সহকারী প্রকৌশলী  মোঃ সাকিব  হোসেন কে দিয়ে গোপনে গোপনে স্টিমিট এবং  বিল স্বাক্ষর করিয়ে সরকারি প্রায় ১ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাতের উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল কাদের মুজাহিদের বিরুদ্ধে।


উপজেলা পরিষদ ম্যানুয়ালের ১০৯ পৃষ্ঠায় সংযোজনী (১)কে উপজেলা উন্নয়ন জমা দ্বারা যেই ধরনের কাজ করা যাবে না যেমন  কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানে মেরামত বা সম্প্রসারণ, মসজিদ, মন্দির, কোন ক্লাবে উন্নয়ন,  ক্রিয়া সামগ্রী ক্রয়  বা বিতর ও মাটি দ্বারা উন্নয়ন ইত্যাদি কাজ করা  যাবে না, এবং জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হলে বছরে শেষ মুহূর্তে RFQ প্রকল্পনেয়া যেতে পারে। এমন নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সরকারি কোন নিয়ম -নীতির তোয়াক্কা না করে, বছরের শুরুতে পকেট বারী করার উদ্দেশ্যে, জনগুরুত্বহীন প্রায় ৩০ টি প্রকল্প তৈরি করে(RFQ)কোটেশ পদ্ধতিতে  ও, (PIC)  প্রকল্প কমিটির মাধ্যমে মোট ১কোটি ১৬ লক্ষ টাকা নয় -ছয় করে আত্মসাৎ করেন উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাদের মুজাহিদ।
নিয়ম অনুযায়ী (e-GP) টেন্ডার না দিয়ে বছরের শুরুতেই উপজেলা প্রকৌশলীর ব্যবসায়িক পার্টনার হিসাবে মেসার্স ফয়াল ব্রাদাস তোরাবগঞ্জ নামক একটি মাত্র ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে  দিয়ে বার বার  (RFQ) ও PIC সহ সকল  প্রকল্পের কাজ মেসার্স ফয়সেল ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী কে দিয়ে কাজসহ বিল উত্তোলন করেন প্রকৌশলী আব্দুল কাদের মুজাহিদ। নামে মাত্র প্রকল্প কমিটির সভাপতি হিসাবে মোঃ ইয়াসিন আরাফাত, জাকের হোসেন রাজন, ও ইব্রাহিম  খলিল  দুলাল ৩/৪ জন ইউপি সদস্যকে সভাপতি করে প্রতিটি  প্রকল্পে ৩ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়, অভিযোগ রয়েছে প্রকল্প কমিটির সভাপতিদের কে  বিল উঠানোর পর ২/৩ হাজার টাকা করে ধরিয়ে দিতেন প্রতি প্রকল্প কমিটির সভাপতিদেরকে নীট  বিলের বাকি টাকা উপজেলা প্রকৌশলীকে বেনামে
ব্যাংকের চেক দিয়ে আসতেন প্রকল্প কমিটির সভাপতিরা এবং  (RFQ)কোটেশন পদ্ধতির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম ছিল।

২০২৫-২৬ অর্থ  বছরের (RFQ)কোটেশন পদ্ধতিতেঃ-
১.চরমার্টিন বলিরপোল নর্থ মার্টিন সড়কের ১৫২০ মি. চেইনেজে ক্ষতিগ্রন্থ সড়কে মাটি দ্বারা উন্নয়ন কাজ ৬,৫০,০০০/-টাকা
২.চর লরেঞ্চ বলিরপোল নর্থ মার্টিন সড়কের ২টি ড্রেইন, কালভার্ট নির্মাণ কাজ ৬,৫০,০০০টাকা
৩.গেজেটেড, ননগেজেটেড কোয়ার্টার মেরামত কাজ৫,০০,০০০ টাকা
৪. হাজিরহাট বাজারের দক্ষিণ পাশে ড্রেই সংস্কার ৩,৫০,০০০ টাকা
৫. তোরাবগঞ্জ বাজারে ড্রেইন, স্লাব ও রোড সংস্কার ৬,লহ্ম  টাকা
ক) উপজেলা পরিষদের আইসিটি অফিস মেরামত
খ) উপজেলা শিক্ষা অফিস মেরামত
৬,লহ্ম টাকা
৭.উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স এর প্রশাসনিক ভবন মেরামত পিছনের অংশ ৬, লহ্ম টাকা
৮.উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স এর প্রশাসনিক ভবন মেরামত সামনের অংশ  ৬.লহ্ম টাকা
৯ উপজেলা পরিষদ হল রুমের সাউন্ড সিস্টেম ক্রয় ৫,লহ্ম টাকা
১০. উপজেলা পরিষদের হলরুমের মেঝে মেরামত ৬,লহ্ম টাকা
১১.উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন বাবদ ৫,লহ্ম টাকা
১২.উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের ইন্টোরিয়াল ডিজাইন ৬,লহ্ম টাকা
(PIC) প্রকল্প কমিটির পদ্ধতিতে ঃ-
১৩.উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের ইন্টোরিয়াল ডিজাইন ৩,লহ্ম টাকা
১৪.উপজেলা পরিষদ হল রুম মেরামত ৩,লহ্ম টাকা
১৫.উপজেলা পরিষদের এডিপি বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তার জন্য আইপিএস ক্রয় ৩,লহ্ম টাকা
১৬. উপজেলা পরিষদ হল রুমের আসবাবপত্র ক্রয় ৩,লহ্ম টাকা
১৭.উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স এর মসজিদ মেরামত ৩,লহ্ম টাকা
১৮.উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স হলরুমের ৩টি টয়লেট মেরামত ৩,লহ্ম টাকা
১৯.হাজিরহাট বাজারে ময়লা পরিবহনের জন্য ২টি ভ্যান গাড়ী ক্রয় ৩,লহ্ম টাকা
২০.তোরাবগঞ্জ বাজারে রোড সংস্কার ২,লহ্ম ৫০ হাজার টাকা
২১ কমলনগর উপজেলায় বিভিন্ন ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
৩,লহ্ম টাকা
২২.কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২টি টয়লেট মেরামত (২০২৪-২৫)
8,লহ্মটাকা
২৩.কমলনগর থানা মেরামত
৩,লহ্ম টাকা
২৪.সিসি ক্যামেরা নামে ৫টি প্রকল্পে
১৫,লহ্ম টাকা
সর্বমোট =১,কৌটি ১৬ লহ্ম টাকা
আরো অভিযোগ রয়েছে যে, কমলনগর উপজেলা শুরু থেকেই ২০১৫ সাল পর্যন্ত উপজেলা পরিষদের আওতাধীন সকল ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল,নথি, পিইডিপি -১,২,৩,
১৫০০ বিদ্যালয়, Need Bahed বিদ্যালয়ের সকল ফাইল  নথি, পরিমাপ বহি, রেজিস্টার, ইলেকট্রিক, ও কম্পিউটার সংক্রান্ত মালামাল
এবং উপজেলা শুরু থেকেই ২০২১ সাল পর্যন্ত নির্বাহী প্রকৌশলী  দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ সকল ধরনের ফাইল,নথি গোপনে তোরাগঞ্জ বাজারের ভাঙ্গারি ব্যবসায়ির  নিকট  বিক্রি করে দেন উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাদের মুজাহিদ। পরবর্তীতে তিনি মালামাল বিনষ্ট করার জন্য নামে মাত্র একটি অফিস আদেশ করেন প্রকৃতপক্ষে মালামাল বিনষ্ট করতে হলে উর্দতম কর্তৃপক্ষের  অনুমতি সহ  একটি কমিটি করে উক্ত মালামালের সিজার লিস্ট  করে কমিটির সামনে
মালমাল বিনষ্ট করে নির্ধারিত ফাইলে সংরক্ষণ করতে হবে। তা না করে মালামাল ভাঙ্গারি  ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেন।
এই বিষয়ে হিসাব সহকারীকে জিজ্ঞাসা করলে মালামাল বিক্রির কথা তিনি সত্যতা স্বীকার করেন এবং অফিস সহকারীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হন নাই।
এতে স্থানীয় সচেতন মহল , জনপ্রতিনিধি  এলাকাবাসী ও এলাজিইডির তালিকাভূক্ত ঠিকাদারদের অভিযোগ, সরকারী নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে  নামমাত্র প্রকল্পকে জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দেখিয়ে সরকারী বরাদ্ধের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের নামে বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার  না করে অর্থ লুটপাট করেন। এতে  উন্নয়নের নামে সরকারী অর্থ লুটপাট ও অন্যদিকে সরকারের অর্থের অপচয়ের মাধ্যমে নিজের পকেট ভারী করেছেন।  এ যেন ‘কাজীর গরু কিতাবে আছে; গোয়ালে  নেই।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,  বলিরপোল এলাকায়  রোডের ক্ষতিগ্রস্ত  সড়ক পুনঃ নির্মাণ কাজ না করে মাটি দ্বারা সামান্য কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। স্থানীয় আবেদনকারী ব্যক্তি,হোসেন আহামদ জানান পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ করে একটি  ভেকু মেশিন দিয়ে আমার জমিন থেকে মাটি নিয়ে সামান্য কাজ করেছে। সাড়ে  ৬ লক্ষ টাকার কাজের কোন নমুনা আমাদের নজরে পড়েনি। চরলরেন্স  মার্টিন বলির  পোল নর্থ মার্টিন সড়কের দুটি ইউড্রেন কালভার্টের মধ্যে একটি কালভার্ট দৃশ্যমান দেখা গেলেও অন্যটি চোখে পড়ে নাই। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রায় ৬৫-৭০ হাজার টাকার মধ্যে একজনকে চুক্তি দিয়ে সম্পন্ন করেছেন কালভার্টের কাজ। তবে জোয়ারের তীব্র ¯্রােতে নি¤œমানের কাজের ওই নতুন কালভার্টটি ভেসে যাওয়ার আশংকা করেন তারা। এদিকে উপজেলা গেজেটেড ও ননগেজেটেড কোয়াটারটি ইতিপূর্বে একাধিকবার  মেরামত করেছিলো।  এছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাসভবনে বছরে মেরামতের নামেন একাধিক বার বরাদ্দ নেয়া হয়েছে। কিন্তু উপজেলা প্রকৌশলী টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য ওই কোয়াটারে  আবারো  মেরামতের নামে প্রকল্প দেয়। যা সরকারী টাকা আত্মসাত ছাড়া কিছুই না। তোরাবগঞ্জ বাজারের ড্রেন ও স্লাব জরুরী  রোড সংস্কার দেখালেও বাস্তবে নামমাত্র কাজ করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
উপজেলা পরিষদের এডিপি বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা সরবরাহ ( আইপিএস) ক্রয় দেখালেও বাস্তবে (এলজিডি) অফিসে আগে থেকে ব্যবহৃত পুরাতন আইপিএস দেখা গেছে।  এতে নতুনভাবে আইপিএস ক্রয় দেখিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা লুটপাট করে। এছাড়া উপজেলা পরিষদের আইসিটি অফিস মেরামত, উপজেলা শিক্ষা অফিস মেরামত ও  উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় ইন্টুরিয়াল ডিজাইন,  উপজেলা পরিষদের সাউন্ড সিস্টেম ক্রয় ও ইলেক্ট্রিক মেরামত কাজ,  উপজেলা হলরুমের আসবাবপত্র ক্রয়, উপজেলা পরিষদের মেঝে মেরামত ও উপজেলা পরিষদের হলরুম মেরামত, উপজেলা পরিষদের তিনটি টয়লেট মেরামত উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে সাউন্ড সিস্টেম (সাউন্ডবক্স) অধিকাংশই  পুরনো দেখা গেছে, এছাড়া হলরুমের  বাস্তবে দুইটি   টয়লেটে থাকলেও তিনটি টয়লেট দেখানো হয়েছে এর মধ্যে একটি টয়লেটের আগের পুরনো মটারটিকে সংস্কার করে সচল দেখায়  ও  তিনটি টয়লেট সংস্কারসহ উক্ত প্রকল্পগুলোর  নামমাত্র কাজ করে  সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাত করেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
উল্লেখিত একটি প্রকল্প কমিটির সভাপতি  ও ইউপি সদস্য ইয়াছিন আরাফাত  বলেন,  ওই প্রকল্পের কাজ করেছি। কিন্তু কোথায় করেছি আমি একটু জেনে নেই; এমন মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফয়সাল   ব্রাদাস সত্ত্বাধিকারী  রুবেল বলেন, আমি সাংবাদিকদের কেন বলবো। আমি কাজ পাইছি, কাজ করাইছি।
কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাদের মোজাহিদ বলেন,  উক্ত প্রকল্পের কাজ চলছে। বাস্তবে উল্লেখিত প্রকল্পগুলোর পূর্বেই  বিল নেওয়া শেষ ।এছাড়াও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভালো জানেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রশাসক মোঃ রাহাত উজ জামান উন্নয়নমূলক  কাজের অনিয়মের বিষয়ে বলেন, আগের ঠিকাদার দুজন  আগে কাজ করেছে;  নতুন  টেন্ডারে  নতুন ঠিকাদাররা কাজ করবে বলে তিনি জানান৷ গণমাধ্যম কর্মী জিজ্ঞাসা করে পূর্বের  (RFQ)কোটেশন ও PIC প্রকল্প কমিটির কাজগুলোর বিষয় সম্পর্কে তিনি জবাব দেন। পরবর্তী টেন্ডারের  বিষয়ে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd